ভবিষ্যতের চাল শুধু মাঠে নয়, তৈরি হচ্ছে জাপানের গবেষণাগারে, উদাহরণ হবে বাংলাদেশের জন্য

বর্তমানে উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল ‘ইউকিমানতেন’ জাতের উন্নয়ন ও পরীক্ষামূলক চাষ চলছে। ২০২৭ সালে এটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসার কথা। চমৎকার স্বাদ ও গঠনবিন্যাস, ধবধবে সাদা দানা ও অধিক ফলনশীলতার জন্য এটি পরিচিত। জলবায়ু পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে এই জাত ব্যাপকভাবে সমাদৃত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

সফরের এক ফাঁকে বাংলাদেশের মতো ধাননির্ভর দেশের প্রসঙ্গও আলোচনায় আসে। প্রথম আলোর প্রশ্নের জবাবে রেইকো নাকাবা জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে কোনো যৌথ প্রকল্প বা সহযোগিতা আপাতত নেই। এ ক্ষেত্রে ভাষাকে একটি বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, স্থানীয় আবহাওয়া, ভূমি ও চাহিদা অনুযায়ী দেশভেদে গবেষণার লক্ষ্য ও চাষের পদ্ধতি ভিন্ন হয়। তবে বিভিন্ন দেশের গবেষণা সম্পর্কে তাঁরা ওয়াকিবহাল।

ইয়ামাগাতার এই অভিজ্ঞতা শুধু জাপানের একটি অঞ্চলের ধান গবেষণার বিষয় নয়; বরং বৈশ্বিক উত্তেজনা, জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষিশ্রমিকের সংকটের মুখে কৃষিকে টিকিয়ে রাখার লড়াইয়েরও ইঙ্গিত। বাংলাদেশের মতো ধান উৎপাদনকারী দেশগুলোও যার অংশীদার। নতুন জাত, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক ব্র্যান্ডিং—সব মিলিয়ে সোনাই অঞ্চলের গবেষণা দেখাচ্ছে, ভবিষ্যতের চাল শুধু মাঠে নয়, গবেষণাগার ও জলবায়ু বাস্তবতার সংযোগস্থলেই তৈরি হবে। আর এভাবেই নিশ্চিত করা যাবে জাপানসহ বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা।

Explore More Districts