মৃত্যুর সময় নজরুল ইসলাম স্ত্রী দীপা ইসলাম, মেয়ে নবনীতা ইসলাম ও নাতি অরিক শাহরিয়ারকে রেখে গেছেন। তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) প্যাট্রিস লুমুম্বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সারা জীবন তিনি শিক্ষাদান, গবেষণা ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থী গড়ার কাজে উৎসর্গ করেন।
