বিশ্বকাপ আয়োজনের আগে থেকেই ব্যয়ভার নিয়ে ফিফা ও আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে ফিফার দাবি ছিল, পর্যটন ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রায় ৩০৫০ কোটি ডলার যোগ হবে।
বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব, স্পনসরশিপ, স্টেডিয়ামের বিভিন্ন বিক্রি ও পার্কিং থেকে আয়ের বেশির ভাগই পেয়েছে ফিফা। অন্যদিকে পরিবহন, নিরাপত্তা, ফিফা ফ্যান ফেস্ট, বিমানবন্দর এবং টুর্নামেন্ট-সংশ্লিষ্ট যানবাহনের ব্যয়ের বড় অংশ বহন করেছে আয়োজক শহরগুলো।
উদাহরণ হিসেবে কানসাস সিটির আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, তারা মিসৌরি অঙ্গরাজ্য থেকে ৪ কোটি ২৫ লাখ, কানসাস অঙ্গরাজ্য থেকে ২ কোটি ৮০ লাখ, কানসাস সিটি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৮ লাখ এবং অন্যান্য সরকারি উৎস থেকে আরও ১৫ লাখ ডলার পেয়েছে। সব মিলিয়ে সরকারি বিনিয়োগ হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। এর বাইরে নিরাপত্তা খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের ৫ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং পরিবহন খাতে আরও ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার অনুদান পেয়েছে তারা।

