বাউফলে চর দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০
২৮ December ২০২৪ Saturday ৭:২৩:২৫ PM
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলায় ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার চরফেডারেশন দখলকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সুত্রপাত বলে জানিয়েছেন একাধিক সুত্র। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কালাইয়া ইউনিয়নের চর ফেডারেশন, চর শৌলা ও চর কালাইয়া এলাকার খাস ও বন্দবস্তের জমিতে উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস. এস ফয়সাল আহম্মেদ মনির মোল্লার নেতৃত্বে চাষাবাদ হত। শেখ হাসিনার পতনের পর এসব চর দখলে মরিয়া হয়ে উঠে স্থানীয় বিএনপির কয়েক পক্ষের নেতারা। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিনের অনুসারী যুবদল নেতা স্বপন, ফরিদ, শ্রমিক দল নেতা বিপ্লব চরফেডারেশন দখলে নিয়ে চাষি দিয়ে তরমুজ চাষাবাদ করেন। ঘটনার দিন শনিবার সকাল ১০টার দিকে তুহিন অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা চরফেডারেশন দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন কালাইয়া ইউনিয়ন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একাংশের নেতা কর্মীরা। এতেই তুহিন অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রিয়াজ পঞ্চায়েত, ছাত্রদলের জয় (২৪), রেদোয়ান (২৫), ইয়াসিন (২৪) ও মো. সজল (২৩) সহ কমপক্ষে ১০ আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ছাত্রদল নেতা জয়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসীম আহমেদ তুহিনের উপর হামলা চালায় ৪০/৪৫ জনের একটি দল। আত্মরক্ষার জন্য বিএনপি নেতা তুহিন স্থানীয় একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে আরেকদফা তার উপর হামলা চালায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ওই দোকানে প্রায় ১ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয় তুহিনকে। পরে পুলিশ ওই দোকানে গিয়ে বিএনপি নেতা তুহিনকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মুজাহিদুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। বরং তুহিন তার পালিত সন্ত্রাসী দিয়ে ছাত্রদলের নেতা কর্মীর ওপর নৃশংস ভাবে হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, জসীম আহমেদ তুহিন একজন ন¤্র ভদ্র নেতা। তাকে অপমান অপদস্ত মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি। বাউফল থানার ওসি তদন্ত আতিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নেতা তুহিন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থ নেওয়া হবে। কৃষ্ণ কর্মকার
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)