গভর্নরের শাসন জারি মানে পাখতুনখাওয়ায় আফ্রিদির সরকারের অবসান। তবে লংমার্চ শেষ হয়নি। গতকাল রোববার শাহবাজ শরিফ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন। সেখানে আফ্রিদিকে সন্ত্রাসীদের সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পাকিস্তানের কোনো প্রদেশে গভর্নরের শাসন জারি করা নতুন কিছু নয়। তবে এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস খুবই বেদনাদায়ক। দুঃখজনকভাবে, সেই তিক্ত ইতিহাসই বারবার ফিরে আসছে।
১৯৫৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে মুসলিম লীগ পরাজিত হয়। যুক্তফ্রন্টের শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার এ কে ফজলুল হককে দেশের শত্রু ঘোষণা করে। তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ইস্কান্দার মির্জার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানে গভর্নরের শাসন জারি করা হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
