
ওয়াশিংটন, ১৭ জুলাই – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, ২০২০ সালের নির্বাচনী চক্র থেকে চীন মার্কিন ভোটারদের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার একটি বিশাল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিল। তিনি এই ঘটনাকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য চুরির ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এই অবৈধ অভিযানের মাধ্যমে বেইজিং প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য বা ফাইল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। পেনসিলভানিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এই তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে আমেরিকার নির্বাচন নিরাপত্তার জন্য এক নজিরবিহীন এবং অত্যন্ত ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন বলে বর্ণনা করেন।
তবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের এই অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, বেইজিং কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না।
অন্যদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ২০২১ সালের একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এই অভিযোগের বিপরীতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
তৎকালীন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর এবং বর্তমানে ট্রাম্পের সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফের অধীনে তৈরি হওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার রেজিস্ট্রেশন, ব্যালট কিংবা ভোট গণনা ও ফলাফলের মতো কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি এই প্রতিবেদনের একটি গোপন সংস্করণ তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
এস এম/ ১৭ জুলাই ২০২৬



