নিভৃত গ্রাম থেকে ব্যস্ত শহর রূপপুর

নিভৃত গ্রাম থেকে ব্যস্ত শহর রূপপুর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল প্রকল্পটি পদ্মা নদীর তীরঘেঁষা রূপপুর গ্রামে। প্রকল্পের আবাসিক এলাকা গ্রিন সিটি নির্মিত হয়েছে পাশের দিয়াড় সাহাপুর গ্রামে।

পদ্মা নদীতে লালন শাহ সেতু তৈরির পর রূপপুর মোড়টি ঘিঞ্জি হয়ে উঠেছিল। ছোট-বড় বিভিন্ন দোকানে দখল হয়ে গিয়েছিল মূল সড়ক। মোড়টিতে মাঝেমধ্যে ঘটত দুর্ঘটনা। বর্তমানে পরিচ্ছন্ন হয়েছে মোড়টি। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশে কোনো দোকানপাট নেই। বসেছে ট্রাফিক পুলিশ বক্স। ফলে দুর্ঘটনা কমে গেছে।

অন্যদিকে আরও পরিবর্তন হয়েছে দিয়ার সাহাপুর। একসময় জায়গাটিতে ছিল অনেক ধানের চাতাল। বড় বড় ট্রাক ও ধুলাবালুতে পূর্ণ থাকত পুরো এলাকা। বর্তমানে তৈরি হয়েছে বড় বড় ভবন, শপিং মল, সুপার মল, বার, রেস্তোরাঁসহ নানা স্থাপনা। উন্নয়নের এই ছোঁয়া লেগেছে ঈশ্বরদী উপজেলা সদর ও পাবনা জেলা সদরে। রাশিয়ানদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ঈশ্বরদীতে নতুন করে ৪টি রিসোর্ট, প্রায় ১০টি রেস্তোরাঁ, ১৫টি বেসরকারি হাসপাতাল, ৫টি মল তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জেলা সদরে একটি হাসপাতাল, দুটি রিসোর্ট ও নতুন করে অন্তত পাঁচটি রেস্তোরাঁ তৈরি হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জেলা শহরের জালালপুর গ্রামে ইউনিভার্সাল গ্রুপ তৈরি করেছে রত্নদীপ নামে একটি রিসোর্ট। ইউনিভার্সাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানী হোসেন বলেন, ‘বিদেশি নাগরিকদের সুবিধা বিবেচনা করেই তাঁরা রিসোর্টটি করেছেন। রাশিয়ান, ইন্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা রিসোর্টে আসছেন। তাঁরা এখানে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বাংলাদেশিদের সঙ্গে মিলেমিশে সুইমিং করেন, খাওয়াদাওয়া করেন। তাঁরা খুব শান্ত, সবাইকে সম্মান করেন।’

Explore More Districts