ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান নাহিদ ইসলামের, বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশা – DesheBideshe

ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান নাহিদ ইসলামের, বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশা – DesheBideshe



ধর্মীয় সম্প্রীতির আহ্বান নাহিদ ইসলামের, বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশা – DesheBideshe

ঢাকা, ০২ মে – বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ধর্ম, মত ও পথ ভিন্ন হলেও সবাইকে একসঙ্গে দেশ গড়ার মধ্য দিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (১ মে) রাতে রাজধানীর বাড্ডা-এ অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা যে যেই ধর্ম বা মতেরই হই না কেন, একসঙ্গে দেশ গড়বো। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা। দেশের সব নাগরিকের প্রত্যাশা। মত-ভিন্নমত থাকলেও আমরা একসঙ্গে চলবো।”

তিনি আরও বলেন, সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠান শুধু ধর্মচর্চার জায়গা নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহ্য ও অবদান তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলে একসময় বহু বৌদ্ধ বিহার ছিল, যা শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে ধারণ করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অহিংসা ও শান্তির যে বাণী গৌতম বুদ্ধ প্রচার করেছিলেন, তা বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। যুদ্ধ, সংঘাত, ঘৃণা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এই শিক্ষা আজও মানবজাতির জন্য পথনির্দেশনা হতে পারে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নাহিদ ইসলাম।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আয়োজকরা মনে করছেন, এ ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও আন্তধর্মীয় অংশগ্রহণ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে।

এনএন/ ০২ মে ২০২৬



Explore More Districts