দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব মখন মিয়ার ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব মখন মিয়ার ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব মখন মিয়ার ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব, কুচাই ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার, দক্ষিণ আলমপুর জামে মসজিদের ১৭ বছরের মুতাওয়াল্লী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আলমপুরের বাসিন্দা মো. মখন মিয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি—-রাজিউন)।

গত শুক্রবার (২৯ মে) বেলা ২টা ৪০ মিনিটের সময় সিলেটের রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি ৬ ছেলে, ৩ মেয়ে, ভাই-বোন, নাতি-নাতনী, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী ও শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাযার নামাজ ঐ দিন রাত সাড়ে ৯টায় দক্ষিণ আলমপুরস্থ নিজ বাড়ী প্রাঙ্গণে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (রহ.)-এর সুযোগ্য নাতি মাওলানা রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী।

মরহুম মো. মখন মিয়া দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অঙ্গণ, সালিশ ও সমাজেসেবার মাধ্যমে সর্বমহলে সুপরিচিত। এছাড়া তিনি স্থানীয় দক্ষিণ আলমপুর এলাকা, দক্ষিণ সুরমা তথা সিলেটের সকল শ্রেণি-পেশা ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও সমাদৃত ছিলেন।

জানাযার নামাজে সর্বস্তরের মুসল্লীগণ অংশগ্রহণ করায় মরহুমের ছেলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী মো. শামীম কবীর, ভূমি অফিসার (তহশিলদার) মো. শাহীন কবীর, ব্যবসায়ী মো. ছালিম কবীর, মো. সুলেমান আহমদ, মো. সুহেল আহমদ এবং কানাডা প্রবাসী মো. সামুন কবীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পিতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

পরে মরহুম মো. মখন মিয়া’র মরদেহ দক্ষিণ আলমপুর পঞ্চায়েত কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব মো. মখন মিয়া’র মৃত্যুতে পৃথক পৃথকভাবে শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

ডিএস/এফআর/এসএ

Explore More Districts