অভিবাসন আমেরিকার ঐতিহ্যের অংশ, এ কথা তুলে ধরলেও ইউরোপীয় ঐতিহ্য হারানোর ও চাকরি হারানোর ভয় কিছুটা কমেছে। আবার অধিকাংশ অভিবাসী আইন মেনে চলেন এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে কাজ করে দেশের নিরাপত্তায় অবদান রাখেন, এ কথা বললেও ইউরোপীয় পরিচয় দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা কমেছে।
মজার বিষয় হলো, এসব পাল্টা বক্তব্য মাগা ও নন-মাগা, দুই ধরনের রিপাবলিকান ভোটারের মধ্যেই অভিবাসনবিরোধী মনোভাব কমাতে পেরেছে। তবে পার্থক্যও আছে। মাগা ভোটারদের মধ্যে কেবল অর্থনৈতিক উদ্বেগ থাকা ব্যক্তিদের প্রভাবিত করা গেছে। তবে এই গোষ্ঠীই মাগা ভোটারদের সবচেয়ে বড় অংশ। অন্যদিকে নন-মাগা রিপাবলিকানদের মধ্যে ইউরোপীয় পরিচয় দুর্বল হওয়ার ভয় থাকা ভোটারদের ওপর এসব বক্তব্য বেশি কার্যকর হয়েছে। রিপাবলিকানপন্থী স্বতন্ত্র ভোটারদের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ও পরিচয়—দুই ধরনের ভয়ই কমেছে।
অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, মিশিগান, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলাইনা, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিন; গুরুত্বপূর্ণ দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোয়ও একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে। অভিবাসন অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও জাতীয় পরিচয়ের জন্য হুমকি—রিপাবলিকানদের এই বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া সম্ভব। অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরা এবং আমেরিকার অভিবাসন ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দেওয়া এতে কার্যকর হতে পারে। এমনকি কিছু মাগা ভোটারও অভিবাসনের অর্থনৈতিক সুফল স্বীকার করেন।
