| ২৯ October ২০২৬ Thursday ৩:৩৩:৩৪ PM | |
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

বাজারে বাড়তি দাম, সংসারে বাড়তি চাপ। মাছ-মাংস, শাকসবজি ও ডিম কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। আয় না বাড়লেও বেড়েছে সংসারের খরচ। ফলে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ঝালকাঠির নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঝালকাঠির বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়, শালগম ১২০, গাজর ১৪০, টমেটো ১২০ ও বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফুলকপি ৬০, বাঁধাকপি ৫০, শসা ৬০, শিম ও কাঁচামরিচ ৮০ টাকা কেজি। ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। চাষের মাছ ২২০ থেকে ৩৫০ টাকা, খাল-বিলের মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং সাগরের মাছ ৩০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এমন দামে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। তাঁদের অভিযোগ, আগের টাকায় এখন আর পুরো মাসের বাজার করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে কমাতে হচ্ছে কেনাকাটার পরিমাণ।
বাজারে সবকিছুর দাম বেশি। আগে যে টাকা নিয়ে বাজার করতাম, এখন সেই টাকায় প্রয়োজনীয় সব জিনিস কেনা যায় না। বাধ্য হয়ে কিছু পণ্য কম কিনতে হচ্ছে। কিন্তু আয় তো বাড়েনি। এভাবে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাজার কমিটির সভাপতি আইয়ুব খান জানান,
পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকলে খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। তবে কোনো ব্যবসায়ী যেন অযৌক্তিক দাম না নেন, সে বিষয়টি আমরা দেখব। বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলব।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাফিয়া সুলতানা জাজন,
বাজারে পণ্যের দাম ও মান ঠিক আছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। প্রতিটি দোকানে মূল্যতালিকা রাখা এবং ক্রেতাদের সঠিক ওজন দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কেউ অতিরিক্ত দাম নিলে বা অনিয়ম করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে সংসার চালাতে চাপে পড়েছেন ঝালকাঠির সাধারণ মানুষ। বাজারদর সহনীয় রাখতে কার্যকর নজরদারির দাবি ক্রেতাদের।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |
