জিয়ানগরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে, বিপর্যস্ত জনজীবন

জিয়ানগরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে, বিপর্যস্ত জনজীবন

২৫ April ২০২৬ Saturday ১১:১৬:৫৫ PM

Print this E-mail this


জিয়ানগর ((পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

জিয়ানগরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে, বিপর্যস্ত জনজীবন

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আলো জ্বালাতে অনেকের ভরসা হয়ে উঠেছে মোমবাতি। ফলে বেড়েছে এর চাহিদাও।

স্থানীয়রা জানায়, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পরই আবার দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়-আসে তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। চলমান এসএসসি পরীক্ষা এবং আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। অন্যদিকে বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন সংকটে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে একাধিক এলাকায় পালাক্রমে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

জিয়ানগর বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী হেফজুল্লা খান জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির চাহিদা অনেক বেড়েছে। আগের তুলনায় এখন প্রায় তিনগুণ বেশি মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, পুরো উপজেলায় মোট ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো।ফলে ৬ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা চালাতে হচ্ছে।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts