জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু

জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু

হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশিরউল্লাহ বিবিসিকে বলেছেন, পারবে না। তিনি এ-ও স্পষ্ট করেছেন যে জামায়াতের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয়।
হেফাজত আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর ভাষা আরও কঠিন। ২০২৫ সালের আগস্টে চট্টগ্রামের একটি মাহফিলে তিনি জামায়াতকে ‘ধোঁকাবাজ ইসলামি দল’ এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের মানদণ্ডে ‘কাদিয়ানিদের চেয়েও খারাপ’ বলেছেন বলে গণমাধ্যমে এসেছে।

প্রতিক্রিয়ায় এই মন্তব্যকে ‘অসত্য, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ’ বলেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। অতীতে জামায়াত এমন আক্রমণ সাধারণত এড়িয়ে যেত। বোঝা যায়, এবার সে নীতি ভেঙেছে।

প্রশ্ন ওঠে, ইসলামি রাজনীতির সবাই প্রায় একই লক্ষ্যের কথা বলেন, তবু কওমি আলেমদের একটি বড় অংশ জামায়াতকে এত দূরের মনে করেন কেন?

উত্তরে বলা যায়, বিরোধের কারণ একটি নয়, তিনটি। ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ‘আকিদা’র তর্ক আছে। ইসলামের ব্যাখ্যা দেওয়ার কর্তৃত্ব কার হাতে থাকবে, সেই প্রতিযোগিতা আছে। আর আছে ইতিহাসের জমে থাকা সন্দেহ।

তাহলে কেন আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কওমি আলেমরা কখনো জামায়াতের সঙ্গে বসেন, কখনো তাকে গোমরাহ বলে ঠেলে দেন। কারণ ‘বিশ্বাস’ বদলায় না, বদলায় রাজনীতির হিসাব।

Explore More Districts