রাত দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ঘটনাস্থলে আসেন এবং দেবাশীষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ভিডিও স্বীকারোক্তি ও মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, তিনি ক্যাম্পাসে এসেছেন, তাই র্যান্ডম ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর এক বোনকে পাঠিয়েছেন। এখানে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে তিনি ছবিগুলো তোলেননি। গাড়িতে বিয়ার পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁর লাইসেন্স আছে। তাই তিনি এগুলো সঙ্গে রেখেছিলেন।