দুজনের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়ানোর আগেই থেমে যায়। কারণ, কিটস ১৮২১ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে যক্ষ্মায় মারা যান। পরে ১৮৬৫ সালে ব্রাউনের মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানেরা চিঠিগুলো সংরক্ষণ করে এবং ১৮৮৫ সালে নিলামে বিক্রি করে দেয়। সেই ঘটনাই আবার অনুপ্রাণিত করেছিল লেখক অস্কার ওয়াইল্ডকে একটি সনেট লিখতে।
চুরি হওয়া এই চিঠিগুলো নতুন করে সামনে আসে ২০২৫ সালের শুরুতে। ম্যানহাটনে এক ব্যক্তি এগুলো বিক্রির চেষ্টা করলে বই ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানান।
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্রাগ বলেন, নিউইয়র্ক বিশ্বের অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলেও চুরি হওয়া জিনিসপত্র এর সুনাম নষ্ট করে। তাই এসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের নির্দেশে চিঠিগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হয় জন হে হুইটনি পরিবারের কাছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
গ্রন্থনা: রবিউল কমল
