জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, অভিযানে গুদামে অতিরিক্ত মজুত রাখা বিভিন্ন ধরনের সার পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৫০ কেজির ১৩ বস্তা ইউরিয়া, ১৬ বস্তা ডিএমপি, ১৩ বস্তা টিএসপি, দুই বস্তা পটাশ (এমওপি) এবং ২৫ কেজির ২৮ বস্তা জিপসাম রয়েছে। এসব সারের আনুমানিক মূল্য ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে গুদামের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন সরকার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি কোনো সারের ডিলার নই। সার মজুতের সঙ্গে আমি জড়িত নই। যে গুদাম থেকে সার উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি আমার গরুর খামার ছিল। এখন পরিত্যক্ত। আমার এক ভাতিজা কীটনাশক ও খুচরা সার বিক্রি করে। খুচরা সার বিক্রি করা যাবে না শুনে সে দুদিন আগে আমার পরিত্যক্ত ঘরে কিছু সারের বস্তা রেখে যায়। ঘরের চাবিও ছিল তার কাছে।’
