জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে কাঁঠাল উৎপাদনের শীর্ষে রয়েছে ভারত। দেশটিতে প্রতিবছর কাঁঠালের উৎপাদন হয় ২০ লাখ মেট্রিক টন। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার ১৩১ মেট্রিক টন কাঁঠাল। ৩০ জুন ২০২৬ সালে প্রকাশিত ‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৫’ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগেই কেবল উৎপাদন হয়েছে প্রায় দুই লাখ টন কাঁঠাল। তবে উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে থাকার পরও কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত রপ্তানি করেছে ২৬ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন কাঁঠাল। বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে মাত্র ২ হাজার ৮১ মেট্রিক টন।
উৎপাদনে ভারত বা বাংলাদেশের কাছাকাছি না থেকেও থাইল্যান্ড বছরে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য রপ্তানি করে। কারণ, তারা কাঁঠালকে শুধু ফল হিসেবে বিক্রি করে না, তারা বিক্রি করে চিপস, হিমায়িত কোয়া, ভেজিটেবল মিট, ক্যানজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাবার হিসেবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার না বাড়ায় এর রপ্তানি বাড়ছে না। কাঁঠাল থেকে চিপস, আচার, জেলিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি করতে হবে। তবেই বাড়বে রপ্তানি।

