
কক্সবাজার, ৬ জুলাই – কক্সবাজারের উখিয়ায় ভারীবর্ষণে পৃথক তিনটি পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে উপজেলার পালংখালী ও রাজাপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্যাম্পে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
উখিয়া ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে জামতলী ১৫ নম্বর ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের বসতঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে। এতে কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম ও তাদের চার বছর বয়সী শিশু পুত্র মোহাম্মদ আনাস মারা যান। ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং দুইজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠায়।
অন্যদিকে রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলে মাটিচাপায় একরাম নামের ৭ বছরের এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
সর্বশেষ রাত ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে পাহাড় ধসে আরও চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন উম্মে হাবিবা, তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রিহান ও হারুনুর রশিদ।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আরও কয়েকদিন এই ভারীবর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।
এনএন/ ৬ জুলাই ২০২৬




