চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১ নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ হাফিজ উল্লাহ খান। দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম ও একাধিকবার কারাবরণের পর এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূলের পরিচিত মুখ মো: হাফিজ উল্লাহ খান। এখনো ভোট গ্রহণ না হলেও প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন।
জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই হাফিজ উল্লাহ খান জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে সক্রিয় রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকায় একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামি হন তিনি। এসব মামলায় দফায় দফায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করতে হয়েছে তাকে।
কারাভোগের পরও রাজনীতি থেকে সরে যাননি হাফিজ। বরং কারামুক্তির পর আরও সক্রিয়ভাবে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান। সামাজিক কর্মকাণ্ড ও দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত উপস্থিতির কারণে কর্মী-সমর্থকদের কাছে ‘আপসহীন নেতা’ হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মো: হাফিজ উল্লাহ খান বলেন, “আমি ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি সব সময় রাজনীতি করি মানুষের সেবার জন্য। রাজপথে ছিলাম, কারাগারে ছিলাম। কখনো কারো সাথে আপোষ করিনি। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব হিসেবে জনপ্রতিনিধি হতে চাই।”
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তরুণ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। একাধিক ভোটার বলেন, “যে লোক আমাদের জন্য জেল খেটেছে, সে চেয়ারে গেলে আমাদের ভুলবে না। আমরা ত্যাগী নেতাকেই চাই।”
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন এই প্রার্থী। পাড়া-মহল্লায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। তার প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদক: মাজহারুল ইসলাম অনিক/
২৮ অক্টোবর ২০২৬

