| ৩ June ২০২৬ Wednesday ৯:২৭:৪৩ PM | |
আমতলী ((বরগুনা) প্রতিনিধি:

জমির দলিল চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম বুধবার (৩ জুন) আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে বরগুনার তালতলী উপজেলার গাবতলী এলাকায় গত শনিবার এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার প্রধান আসামি মো. খলিলুর রহমান ভোলা জেলার তজুমদ্দিন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এএসআই হিসেবে কর্মরত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল ঘরামী তার বাবা হামেদ ঘরামীর কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা প্রদান করেন। তবে ২০১৩ সালে ইসমাইলের মৃত্যুর পরও ওই জমির দলিল তার পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইসমাইল ঘরামীর স্ত্রী কহিনুর বেগমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ চলছিল এবং স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত শনিবার সকালে কহিনুর বেগম পুনরায় জমির দলিল চাইতে গেলে হামেদ ঘরামী ও তার ছেলে খলিলুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনায় হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে খলিলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কহিনুর বেগম বলেন, আমার স্বামী জীবিত অবস্থায় জমির জন্য টাকা দিয়েছিলেন; কিন্তু আমরা এখনো দলিল পাইনি। দলিল চাইতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
তবে খলিলুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কাউকে মারধর করিনি।
তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এএসআই খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

