ওয়াসিফ আল আবরার, ইবি/
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজ নিজ কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান তাঁদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।
এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে নতুন নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন প্রো-ভিসি ও ট্রেজারারের যোগদানের ফলে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও গতিশীলতা আসবে।
এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০ (সংশোধিত ২০১০)-এর ১১(ক)(১) ধারা অনুযায়ী ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলীকে ট্রেজারার হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলায় প্রো-ভিসি ও ট্রেজারারের কার্যালয়ে তাদের প্রথম কর্মদিবস শুরু হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, তিনি গত ১৪ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর তৎকালীন প্রো-ভিসি অধ্যাপক এয়াকুব আলী এবং ট্রেজারার অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তন আসতে পারে, কিন্তু আমরা সবাই শিক্ষক এবং একই পরিবারের সদস্য। নবনিযুক্ত দুই সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করি, অতীতের মতো সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।”
নবনিযুক্ত প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন, শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ শক্তিশালী করা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

