আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আছে বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (০৫ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, একটি রাজনৈতিক (দলের) সংগঠনের প্রধান লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। সেটি আমরা যথাযথভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্ত সংস্থায় পাঠিয়েছি। তারা এখন সেটা তদন্ত করছে। তদন্তে যদি সংগঠন (দল) হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুযোগ আছে।
তিনি বলেন, কোন সংগঠন নিষিদ্ধ করার আইন আওয়ামী লীগ এনেছে প্রথম। দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নানা অপরাধ করেছে। আইন অনুযায়ী ২টি অপরাধের বিচারের ব্যবস্থা আছে।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। ৩টি নির্বাচন করে সব নষ্ট করেছে। সংগঠন হিসেবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নস্যাৎ করেছে।
সংগঠনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পেলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন চিফ প্রসিকিউটর। তদন্তে আওয়ামী লীগের সঙ্গে অন্য জোট দলের সংশ্লিষ্টতা পেলে তখন আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া এগোবে- উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।
দলের অপরাধ প্রমাণ হলে কি ধরনের সাজা হতে পারে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দলকে কি ধরনের সাজা দেয়া যাবে সেটা কিন্তু আইনে বলা আছে। তদন্ত রিপোর্ট আসলে তখন বিষয়গুলো দেখা যাবে।
শুধু আওয়ামী লীগ? নাকি ১৪ দলীয় জোটভুক্ত দলগুলোর বিষয়ে তদন্ত হবে? এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই মুহূর্তে দল হিসাবে আওয়ামী লীগের ব্যাপারেই তদন্ত শুরু হয়েছে। যদি প্রয়োজন মনে হয় যে আরো কোন দলও অপরাধের সাথে যুক্ত সেক্ষেত্রে তাদের ব্যাপারেও আমাদের তদন্ত সংস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এদিকে এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ায় কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com


