এর আগে ২১ জুলাই শাহবাগ থানার এসআই আবদুল গাফফার আসামিদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য রেখেছিলেন।
শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার চার আসামি অন্যের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চাকরি নিয়েছেন। এটি একটি নিয়োগ–বাণিজ্যের চক্র। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
রিমান্ড বাতিল চেয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল লতিফ তালুকদার জামিন আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, সরকারি চাকরির জন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পড়াশোনা করছেন। মেধা দিয়েই তাঁরা চাকরি পেয়েছেন। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা (মৌখিক)—সব পরীক্ষাই দিয়েছেন, তখন কিছু হলো না। হঠাৎ যোগদানের দিন তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে।


