জানা যায়, সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, শ্রমসচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, কাজী মনিরুজ্জামান, আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ, রুবানা হক, হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি রেজওয়ান সেলিম, বিকেএমইএর সহসভাপতি অমল পোদ্দার প্রমুখ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে বিজিএমইএর কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান কয়েকজন সাবেক সভাপতি ও শীর্ষস্থানীয় তৈরি রপ্তানিকারক শিল্পগোষ্ঠীর কর্ণধারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়। সেদিন সন্ধ্যার পর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিজিএমইএর সভাপতি জানান, কারখানার উৎপাদন নিরবচ্ছিন্নভাবে চালাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা এখনো পর্যাপ্ত বলে মনে করছেন না পোশাকমালিকেরা। তখন আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর সদস্য প্রতিষ্ঠানকে কারখানা বন্ধ রাখার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়নি বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।
