যশোরে চারটি পৃথক মামলায় মোবাইল ফোন চুরি ও মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অপরাধে চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন একদিনের বিচারিক আদালত। সোমবার পৃথক রায়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল ও সাকিব আহমেদ ইমন এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন যশোর শহরের ঝুমঝুমপুর উত্তরপাড়ার মৃত আবু তালেব চৌধুরীর ছেলে সবুজ চৌধুরী, চৌগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থানাপাড়ার ফরিদ আহম্মেদের ছেলে নাঈম মোহাম্মদ শিমুল, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম এবং ঝিকরগাছা উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের জমশেদ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর দুপুরে যশোর শহরের চুড়িপট্টি মোড় থেকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে সবুজ চৌধুরীকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা। পরে মামলার তদন্ত প্রতিবেদনসহ তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। সোমবার শুনানিতে আসামি দোষ স্বীকার করায় বিচারক তাঁকে চার মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চৌগাছা পৌরসভার থানাপাড়ায় আনিসুর রহমানের মুদি দোকানের সামনে থেকে নাঈম মোহাম্মদ শিমুলকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাঁর হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে পাঁচটি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় আদালতে হাজির করার পর শুনানি শেষে দোষ স্বীকার করায় তাঁকে এক মাস ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে চৌগাছা পৌরসভার মাঠপাড়া থেকে চারটি ইয়াবাসহ মনিরুল ইসলামকে আটক করা হয়। সোমবার মামলার প্রতিবেদনসহ তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে দোষ স্বীকার করায় আদালত তাঁকে এক মাস ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ঝিকরগাছার বেলেবটতলা বালুর মাঠসংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে এক পুরিয়া গাঁজা ও গাঁজা সেবনের একটি কলকেসহ আব্দুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। এ মামলায় আদালতে হাজির করার পর শুনানি শেষে দোষ স্বীকার করায় তাঁকে এক মাস ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

