সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরেই তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হয়ে তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া দেশের ও বিদেশের ‘গুপ্তচরদের’ সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে বলেও তাঁরা জানতে পেরেছেন। এসব কারণেই তাঁদের গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় করা মামলায় আরও ১০১ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ঘিরে অভিযোগ
গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা এবং তাঁদের সহযোগীরা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নম্বর # ১’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশের অভিযোগ, এসব গ্রুপের মাধ্যমে দেবাশীষ ও গুলশান আরা সরকারবিরোধী তৎপরতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেন। পাশাপাশি সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করতেন।
এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত তৎপরতা পরিচালনা করা।