বিদ্যালয়টিতে ৩৫৭ শিক্ষার্থী রয়েছে। রোববার বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অর্ধেকের কম শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে এসেছে।
ভূতমারা গ্রামের বাসিন্দা অভিভাবক দিলীপ শিকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের এলাকার একটি ছেলেকে দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা ডাব পাড়ানোর জন্য গাছে ওঠান, সেখান থেকে পড়ে ওই ছেলের পা ভেঙে গেছে। আমরা ছেলেমেয়েকে বিদ্যালয় শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাঠাই। সেখানে এমন ন্যক্কারজনক আচরণ করা ঠিক হয়নি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের ছেলেমেয়েকে ওই বিদ্যালয় পাঠাব না।’
আহত ছাত্রের বাবা বিপুল রায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষকেরা আমার ছেলেকে দিয়ে ডাব পাড়তে গাছে উঠিয়েছিলেন। সেখান থেকে পড়ে গিয়ে তার পা ভেঙেছে। এখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। ওরা পায়ে অপারেশন হয়েছে। ওর চোখেও সমস্যা হয়েছে।’

