বাড়ির সামনে পারিবারিক কবরস্থানে নতুন কবরটি খোঁড়া হয়েছে। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে খেজুরগাছের কয়েকটি ভাঙা ডাল। বাড়ির ভেতরে শোকের পরিবেশ। স্বজনেরা অপেক্ষা করছেন ঢাকায় থাকা মরিয়মের মরদেহের জন্য।
বাড়ির ভেতরে মরিয়মের চাচা মিলন সরদারের ঘরের সামনে কয়েকটি চেয়ার পাতা। সেখানে বসে আছেন কয়েকজন নারী। তাঁদের মধ্যে মরিয়মের চাচি মুন্নী খাতুন বলেন, তাঁর স্বামী মিলন সরদার প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে তিনি থাকায় মরিয়মের মরদেহ আসা থেকে শুরু করে দাফনের প্রস্তুতির দায়িত্ব তাঁকেই সামলাতে হচ্ছে।
মরদেহ কত দূর এসেছে জানতে মুঠোফোনে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন মুন্নী খাতুন। তাঁরা জানান, পদ্মা সেতু পার হয়ে খুলনার কয়রা হয়ে সড়কপথে ফিরছেন। এরপর কয়রার কাশিরহাটখোলা খেয়াঘাট থেকে ট্রলারে করে গাবুরার বাড়িতে যেতে হবে। ফলে মরদেহ পৌঁছাতে অনেক রাত হয়ে যাবে।
