ছাত্রদলের দাবি, আটক হওয়া ওই যুবকের বাড়ি বরগুনায়। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তাঁর মুঠোফোনে সংগঠনটির বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে ওই ব্যক্তি নিজেকে রিকশাচালক বলে দাবি করেছেন।
মারধরের শিকার ওই যুবককে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদল এক ব্যক্তিকে আটক করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। আটকের পর তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি সুস্থ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও বিস্তারিত জানা যাবে।’
কর্মসূচি চলাকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পরও নিষিদ্ধ সংগঠনের যে অপতৎপরতা আমরা দেখছি, এর বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অবস্থান সব সময় সুস্পষ্ট।’
