
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর- গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঢাকায় প্রবেশের চারটি পথে পুলিশ কাজ করছে। এসব এলাকায় দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
শুক্রবারের ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। পাশাপাশি টহলও বাড়ানো হয়েছে, ওয়ারী বিভাগ ৬৪, মতিঝিল বিভাগ ৭৬, তেজগাঁও বিভাগ ৯২, মিরপুর বিভাগ ১২০, গুলশান বিভাগ ৩৭, উত্তরা বিভাগ ৪৬ এবং গোয়েন্দা।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে পৃথক অভিযানে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এ সময় ৪৭টি মামলা করা হয়েছে।
এর মধ্যে রমনা বিভাগ ৩০ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৪, ওয়ারী বিভাগ ৬৪, মতিঝিল বিভাগ ৭৬, তেজগাঁও বিভাগ ৯২, মিরপুর বিভাগ ১২০, গুলশান বিভাগ ৩৭, উত্তরা বিভাগ ৪৬ এবং গোয়েন্দা বিভাগ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অভিযানে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০টি গুলি, তিনটি চাপাতি, পাঁচটি চাকু, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, ৫৩টি লোহার পেরেক, ৯৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১ হাজার ১৬৭টি ইয়াবা এবং ১২১ দশমিক ৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিন বোতল বিদেশি মদ, ২০ ক্যান বিয়ার, একটি প্রাইভেট কার, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং ৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার এডিসি নিয়াজ মেহেদী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এস এম/ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

