উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা (স্যাকমো) বিমান চন্দ্র আচার্য প্রথম আলোকে বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপসর্গ প্রায় একই রকম—মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও অচেতন হয়ে যাওয়া। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এটিকে গণহিস্টিরিয়া বা গণমনস্তাত্ত্বিক অসুস্থতা বলে মনে করছেন। তবে জেলা সদরে পাঠানো শিক্ষার্থীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জেলা সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, হাতিয়ার একটি বিদ্যালয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক ছাত্রীকে জেনারেল হাসপাতালে আনার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাকে মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরও ধারণা, এটি গণহিস্টিরিয়া বা গণমনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হতে পারে।
