তৃতীয় কোয়ার্টারে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে মেহেদী একটি গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জাপানের আক্রমণ থামেনি। এই কোয়ার্টারেই আরও তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় জাপান।
চতুর্থ কোয়ার্টারে পেনাল্টি কর্নার থেকে মুন্না বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ফল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।
গ্রুপ পর্বে খুব একটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। চার ম্যাচে একমাত্র জয়টি এসেছে কাজাখস্তানের বিপক্ষে। বাকি ম্যাচগুলোর ফল আশানুরূপ না হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালের পর স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে।
জুনিয়র এশিয়া কাপ থেকে শীর্ষ ছয়টি দল আগামী বছর জুনিয়র বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। গতবারের আসরে ষষ্ঠ হয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল।
