| ১০ September ২০২৬ Thursday ১:০০:৪৪ PM | |
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চরম প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক সংকটের মুখে পড়েছে। উপজেলার ৪৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা, ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম।
অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, সমপদমর্যাদার হওয়ায় অনেক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশনা যথাযথভাবে মানছেন না অন্য সহকারী শিক্ষকরা। ফলে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনেকটা ভেঙে পড়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষক বণ্টনেও ভারসাম্যহীনতার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক বেশি থাকলেও আবার কোনো কোনো বিদ্যালয় ভুগছে শিক্ষক সংকটে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত অনুপাত বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি কয়েকটি বিদ্যালয়ে সরকারি সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের চেয়ে ব্যক্তিগত প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে বেশি মনোযোগী। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিক্ষায়। অনেক কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রাথমিক পর্যায় শেষ করেও সাবলীলভাবে রিডিং পড়তে পারছে না।
শিক্ষার মান নিয়ে অসন্তোষ বাড়ায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নূরানী মাদ্রাসায় ভর্তি করাচ্ছেন। এতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ধরে রাখার ক্ষেত্রেও নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫-এর নিচে শিক্ষার্থী রয়েছে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |
