ইরানের ভাষ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ইরানের ৬৪ বছরের বেশি সময়ের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরান এই বন্ধুত্বকে মূল্যায়ন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন এবং ‘নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ’ থেকে নিজেদের রক্ষার সময় দক্ষিণ কোরিয়া যদি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সামরিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়, তাহলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, ‘কোনো সার্বভৌম ও দায়িত্বশীল দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির মুখে নতি স্বীকার করা উচিত নয়। মহান ইরানি জাতির বিরুদ্ধে চালানো আগ্রাসন ও ভয়ংকর অপরাধের সহযোগী হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
তবে দক্ষিণ কোরিয়া অবশ্য সরাসরি এই বার্তার কোনো জবাব দেয়নি। তবে ৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।
