মাদককাণ্ড: বরিশালে ছয় পুলিশ প্রত্যাহারের পর শাস্তিমূলক বদলি

২২ August ২০২৬ Saturday ১:৩৬:২২ AM

Print this E-mail this


নগর প্রতিনিধি:

বরিশাল মেট্রোপলিটনের স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ধরা-ছাড়া এবং লেনদেনের অভিযোগ ছিল। অবশেষে সেই অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে নগর পুলিশ।

এজন্য স্টিমারঘাট (নানিবুড়ি) ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ছয় সদস্যকে প্রত্যাহারের পর বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁড়ি ইনচার্জকে চট্টগ্রাম এবং বাকিদের বরিশাল মেট্রোপলিটনের বন্দর থানায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রত্যাহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। তিনি দাবি করেন, সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে নয়; প্রশাসনিক নানা কারণে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত সোমবার রাত ৩টার দিকে নগরীর চাঁদমারী খেয়াঘাট এলাকা থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজাসহ আলিম ও রাকিব নামে দুই যুবককে আটক করেন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বোরহানের নেতৃত্বাধিন টহল টিম।

আটকের পর এএসআই বোরহানের মোবাইল ফোনে চট্টগ্রামে কর্মরত পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজি ফোন করেন। ওই কর্মকর্তা আটক দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। পরে গাঁজা রেখে আলিম ও রাকিবকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

তবে অভিযোগ রয়েছে, আটকের সময় দুই যুবকের কাছে থাকা ১ হাজার ৭০০ টাকা রেখে দেন ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল হাবিব। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে গত বুধবার স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ, উপ-পরিদর্শক কাজী শাওনকে প্রত্যাহার করা হয়।

এর একদিন পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বোরহানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় সংযুক্ত করা হয়েছে। আর সাব-ইন্সপেক্টর কাজী শাওনকে চট্টগ্রাম জেলায় বদলি করা হয়েছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, প্রত্যাহার এবং বদলির বিষয়টি সঠিক। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে নয়। প্রশাসনিক কারণে তাদের প্রত্যাহার পরবর্তী বদলি করা হয়েছে।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts