বিবর্ণ আর্জেন্টিনা, স্পেনের দাপটে শেষ প্রথমার্ধ

বিবর্ণ আর্জেন্টিনা, স্পেনের দাপটে শেষ প্রথমার্ধ

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে বিশ্বকাপ ফাইনালে দাপট দেখাল স্পেন। আর্জেন্টিনাকে বোতলবন্দি রেখে তারা মাঠজুড়ে খেলেছে। বল পজেশন থেকে শুরু করে লক্ষ্যে শট নেওয়া, আর্জেন্টিনাকে চাপে রাখা-সবকিছুতে ছিল স্পেনের দাপট। গোল করতে না পারলেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের দুশ্চিন্তায় ফেলে প্রথমার্ধ শেষ করল তারা।

স্পেনের

ইয়ামাল ৫ মিনিটে প্রায় স্পেনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম বড় সুযোগটি পায় লা রোজা। ইয়ামাল বক্সে ক্রস বাড়ানোর চেষ্টা করেন এবং বলটি ডিফ্লেক্ট হয়ে ওলমোর কাছে চলে যায়। ওলমো দারুণভাবে বলটি আবার তার দিকেই বাড়িয়ে দেন। ইয়ামাল বলটি নিয়ন্ত্রণে নেন। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় বলটি জালে জড়াতে পারেনি!

ফাইনালটিতে শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে এক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলেছে। ওয়ারজাবাল চমৎকার এক ফ্লিকে পোরোর উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়েছিলেন। তাকে ম্যাক অ্যালিস্টার ফাউল করে ফেলে দেন। কিন্তু রেফারি স্লাভকো ভিনসিক ফাউলের সেই আবেদন নাকচ করে দেন!

দুই দলের মধ্যে স্পেনই শুরুটা ভালো করেছে, তবে আর্জেন্টিনাও ভীতি ছড়ায়। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগে ৭ মিনিটে সিমন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে এসে মেসিকে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পাওয়া থেকে দুর্দান্তভাবে রুখে দেন!

প্রথম ২৩ মিনিটে মাত্র ৩২ শতাংশ বল দখলে রাখতে পেরেছে আর্জেন্টিনা। তাদের তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ মিলে মাত্র ১৭ বার বলে পা ছুঁতে পেরেছেন।

স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পুরো মাঠ জুড়ে খেলছেন। এমনকি ডিফেন্সেও তৃতীয় সেন্টার ব্যাকের ভূমিকায় তিনি। বল দখলেও রাখছেন দারুণ অবদান। এছাড়া আর্জেন্টিনার অর্ধেও চাপ তৈরি করছেন। স্পেনের তীব্র আক্রমণের সঙ্গে পেরে উঠছে না আর্জেন্টিনা।

স্পেন তাদের আক্রমণের চাপ আরও বাড়ায়। ৩৯ মিনিটে লাপোর্তে, রদ্রি ও বায়েনা নিজেদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়ায় বল দেওয়া-নেওয়া করেন। এরপর ফাবিয়ান আলতো টোকায় বল বাড়িয়ে দেন ওয়ারজাবালের দিকে। তিনি বক্সের প্রান্ত থেকে প্রথম সুযোগেই বাম পায়ের এক জোরালো শট নেন। কিন্তু মার্টিনেজ নিচে নেমে এসে দারুণভাবে বলটি রুখে দেন।

৪১ মিনিটে ওয়ারজাবালকে ফাউল করে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। দুই মিনিট পর ইনজুরির লক্ষণ নিয়ে তিনি নিকোলাস ওতামেন্দির বদলি হন। একই সময়ে কুকুরেয়ার দারুণ একটি প্রচেষ্টা ডানপাশের পোস্টের সামনে দিয়ে মাঠের বাইরে যায়।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

হাফটাইমের আগে ৬৫ শতাংশ বল পজেশনে রেখেছিল স্পেন। মাত্র ৩৫ শতাংশ আর্জেন্টিনা। লক্ষ্যে লা রোজারা শট রেখেছে দুটি। পাসেও দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্পেন। আর্জেন্টিনার ১৫৫ নিখুঁত পাসের বিপরীতে তাদের ৩১৩! পুরোটা সময় লক্ষ্যে কোনো শটই রাখতে পারেনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমন দুইবার ক্লিয়ার সুইপ করে তাদের প্রচেষ্টা নষ্ট করে দেন।

Zoom Bangla News

Zoom Bangla News

inews.zoombangla.com


Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.


Follow iNews Zoombangla On Google

Explore More Districts