
অসলো, ৬ জুলাই – ব্রাজিলকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে নরওয়ে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করার পর সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের কোচ স্টালে সলবাক্কেন এই সাফল্যকে এক ঐতিহাসিক রাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হাস্যোজ্জ্বল মুখে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন যে দলের ফুটবলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও স্পিরিটের কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
নরওয়ের এই স্মরণীয় জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তার দুর্দান্ত জোড়া গোলেই ব্রাজিলের রক্ষণভাগ কুপোকাত হয়।
কোচের মতে হালান্ড একজন অসাধারণ গোল স্কোরার যার শারীরিক সক্ষমতা ও কৌশলের দারুণ সমন্বয় রয়েছে। তবে তিনি কোনো একক কৃতিত্বের বদলে পুরো দলের সমন্বয়কেই জয়ের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ম্যাচের শুরুতে হালান্ড একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর ব্রাজিল পেনাল্টি পেলেও ব্রুনো গুইমারেস গোল করতে ব্যর্থ হন। সলবাক্কেন জানান যে দ্বিতীয়ার্ধে করা কৌশলগত পরিবর্তন এবং দুইজন খেলোয়াড় বদল করার সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
এছাড়া গোলরক্ষক ওরজান নিল্যান্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি এবং তাকে অন্যতম ম্যাচ উইনার হিসেবে অভিহিত করেন।
ব্রাজিলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে নরওয়ে কোচ বলেন যে প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্রাজিল সবসময়ই বড় দল এবং তাদের বিরুদ্ধে নিখুঁত পরিকল্পনা ছাড়া জেতা অসম্ভব।
উল্লেখ্য যে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে হারিয়েছিল নরওয়ে এবং সেই দলে সলবাক্কেন নিজে খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন। বর্তমান সাফল্যকে তিনি ভিন্ন গুরুত্ব ও মর্যাদার বলে মনে করেন। আগামী কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকো অথবা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে নরওয়ে।
এনএন/ ৬ জুলাই ২০২৬




