সেই ম্যাচে জার্মানির জোড়া গোলের নায়ক ডেনিজ উনদাভ এখন পর্যন্ত জার্মানির আক্রমণের সবচেয়ে ক্ষুরধার অস্ত্র। কিন্তু সেই অস্ত্রকেই প্রথম একাদশে রাখছেন না জার্মানি কোচ।
টুর্নামেন্টে জার্মানির ভরসা হতে পারতেন যাঁরা, তাঁদের এখন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে নিষ্প্রভই বলতে হয়। ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, কাই হাভার্টজ এখনো সেরা ছন্দে নেই, জামাল মুসিয়ালা তো গত বছর ক্লাব বিশ্বকাপের বাজে চোটের পর নিজের ছায়া হয়েই আছেন।
নাগলসমানের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে ফর্মে থাকা ডিফেন্ডার নিকো স্লটারবেককে পুরো টুর্নামেন্টের জন্য হারিয়ে ফেলা। জার্মানির ডিরেক্টর রুডি ফোলার তাই মনে করিয়ে দিলেন, ‘এটা পরিষ্কার যে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের গত দুই বছরে বিশ্বসেরা হয়ে ওঠা খেলোয়াড়দের অবশ্যই ভালো করতে হবে। ওরাও জানে ওদের উন্নতির জায়গা আছে।’ তবে ভোলার আশাবাদী, ‘আমার মনে হচ্ছে ওদের জ্বলে ওঠার মুহূর্ত এসে গেছে।’
আপাতত এই মুহূর্তে ফোলার আর নাগলসমানের তো বটেই, পুরো জার্মানির এটাই চাওয়া।
