আষাঢ়েও বৃষ্টির দেখা নেই: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ যশোরের জনজীবন – DesheBideshe

আষাঢ়েও বৃষ্টির দেখা নেই: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ যশোরের জনজীবন – DesheBideshe



আষাঢ়েও বৃষ্টির দেখা নেই: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ যশোরের জনজীবন – DesheBideshe

যশোর, ২৮ জুন – আষাঢ় মাসের দুই সপ্তাহ অতিক্রম করলেও প্রকৃতিতে বৃষ্টির দেখা নেই। উল্টো তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চলতি আষাঢ়েও তিনদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

শনিবার যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে।

গত প্রায় দুই মাস ধরে যশোরে টানা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আষাঢ়ের অর্ধেক সময় পার হয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না মেলায় সাধারণ মানুষ দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার যশোরে তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ২০ জুন যশোরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গ্রীষ্মের পর বর্ষার আগমন ঘটলেও বৃষ্টির অভাবে গোটা অঞ্চলের প্রাণ প্রকৃতি দগ্ধ হচ্ছে। দুপুরের দিকে রাস্তা এবং ফসলের ক্ষেতে মরুর উত্তাপ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

গরম বাতাস ও প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বস্তি পেতে মানুষ রাস্তার পাশে বিশ্রাম নিচ্ছেন অথবা পানি ও শরবত পান করে শরীর শীতল করার চেষ্টা করছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডাব ও আখের রসের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিক্রেতারা জানান, চাহিদা বাড়ায় দামও কিছুটা বেড়েছে।

তবে এই প্রচণ্ড গরমে বসে ব্যবসা পরিচালনা করাও তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রিকশাচালকরা জানান, একটু রিকশা চালালেই ক্লান্তিতে শরীর ভিজে যাচ্ছে এবং মাথা ঘুরে উঠছে। বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছেন সাধারণ মানুষ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে তাকে তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে মাঝারি এবং ৪০ ডিগ্রি অতিক্রম করলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে তাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে।

এনএন/ ২৮ জুন ২০২৬



Explore More Districts