খানজাদেহ যুক্তি দেন, বার্গেনস্টকে কারিগরি আলোচনা চললেও এই আলোচনার রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক আস্থা তৈরির যে কাজ ইসলামাবাদ করতে পারে, তা বার্গেনস্টক পারে না।
খানজাদেহ আরও বলেন, কারিগরি আলোচনার মাধ্যমে কোনো কাজের রূপরেখা, সময়সূচি এবং যাচাই-বাছাইয়ের ভাষার খসড়া করা যায়। তবে চুক্তির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া বা বিরোধীদের সামলানোর জন্য নেতাদের যে রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন হয়, কারিগরি আলোচনা তা তৈরি করতে পারে না।
ইরানে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আসিফ দুররানি বলেন, ইরানের প্রেসিডেন্টের এই সফর নিয়ে তিনি সতর্ক আশাবাদী। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্রের পথে না হাঁটতেই তেহরান স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। তারা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নিরাপত্তানীতি মেনে চলবে। তাঁর মতে, এই চুক্তির বড় অর্জন হলো নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি।
দুররানি আরও বলেন, ইতিমধ্যে বিশ্ববাজারে ৬০ দিনের জন্য তেল রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে ইরান। এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।