শিশুটির স্বজনদের অভিযোগ, এটি কোনো সাধারণ পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাঁদের অভিযোগ, একটি কিশোরীকে ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার জেরে প্রতিশোধ নিতে শিশু দুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
পরিবার জানায়, গত বছরের ১৬ জুলাই উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটে এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন শিশু নাঈমের বড় ভাই নাহিদ ইসলাম। পরে ভিডিওটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী ও তার সহযোগীরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদের পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি দিতে থাকে। পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার জের ধরে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর সকালে নাঈম ও তার প্রতিবেশী খেলার সাথি আরাফাতকে (৫) কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করে পাশের একটি পুকুরে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
