খামেনি কী বলেছেন?
গত মার্চে বাবা আয়তুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত হওয়া মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি, তাঁর কোনো বক্তব্যও শোনা যায়নি। তবে সমঝোতা স্মারকটি নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার তাঁর নামে আসা এক সংক্ষিপ্ত লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, নীতিগতভাবে এতে তাঁর মত ভিন্ন ছিল।
তবে বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে এ বিষয়ে দায়িত্ব নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন তিনি।
তবে পেজেশকিয়ানকে তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন অতিরিক্ত দাবি তুললে তাতে যেন নতি স্বীকার করা না হয়। একই সঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, সামনে সরাসরি আলোচনা শুরু হলেও তার মানে এই নয় যে ‘শত্রুপক্ষের’ দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে।
তেহরান সরকারের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমের তথ্য, খামেনি শর্ত দিয়েছেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ সদস্য চুক্তির পক্ষে মত দিলে তবেই এটি কার্যকর হবে।
এই পরিষদে সামরিক কমান্ডাররাও রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে প্রায় সব সদস্যই এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যদিও ভোটাভুটির বিস্তারিত এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।