চাকরিজীবী বুবনের ডায়েরি: পেশাজীবনে সাফল্য মিলবে টাইমিং মেনে চললে

চাকরিজীবী বুবনের ডায়েরি: পেশাজীবনে সাফল্য মিলবে টাইমিং মেনে চললে

ঠিক কাজ, ঠিক সময়ে, নিখুঁতভাবে করার জোরেই উন্নত বিশ্ব চীন ও জাপান এগিয়ে যাচ্ছে। বুবনের অফিস পাড়াতেই লুকিয়ে আছেন তিন ওস্তাদ চাকরিজীবী। মোহাম্মদ রফিক, নরেন দা কিংবা মিস্টার লিপ্টন (তিনটি নামই ছদ্ম)। তিন মূর্তি নিজেদের প্রাত্যহিক যাপনে টাইমিং তত্ত্বের সফল চর্চা করে বুবনের চোখ খুলে দিচ্ছেন।

বুবনের চেনা ষাটোর্ধ্ব রফিক সাহেব একটানা ১৪ বছর ধরে এক প্রতিষ্ঠানে প্রধান হিসাব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে প্রতিটি বাক্যে ‘টাইম বিয়িং’ ব্যবহার করা নরেন দা মনে করেন, একজন মানুষ কতক্ষণ ঘুমাবে, কতক্ষণ খাবে আর কতক্ষণ কাজ করবে, তার নির্দিষ্ট পরিমাপ থাকা দরকার। তিনি নিজে অফিসের ডেস্কে নানা পদের শুকনা খাবার রাখেন, কাজের ফাঁকে নিজে অল্প খান ও অন্যদের খাওয়ান। দুপুরের খাবারের পর ঠিক ১০ মিনিটের একটা পরিমিত বিশ্রাম নেন তিনি। এরপর ডেস্কেই চলে সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের ফাঁকে আড্ডা। প্রতি ৪৫ মিনিট কাজ শেষে পুরো ফ্লোর এক রাউন্ড করে হাঁটেন। ফ্লোরের সহকর্মীদের সঙ্গে দুষ্ট–মিষ্টি আড্ডা দেন। তাঁর মতে, চটপটে সাত মিনিটের আড্ডা, আর পাঁচ মিনিটের গ্রিন টি ব্রেক তাঁকে অফিসের পুরো সময় চনমনে রাখে, যা কাজের ক্লান্তি দূর করে শক্তি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করে তিনি বিকেলে নজরুলসংগীতের একটি টিউশনি সেরে ঠিক রাত আটটার পরে বাড়ি ফেরেন।

Explore More Districts