বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আলীম প্রথম আলোকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগের তার ছিঁড়ে পুকুর পড়েছিল। সকালে বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের স্থানীয় কার্যালয়ে জানানো হয়, কিন্তু কেউ আসেননি।
নূপুরের দুই ছেলে সকাল ৯টায় বাড়ি থেকে স্কুলে যায়। স্কুল ছুটি হলে তারা বাড়ি ফিরে মা ও অপর ভাইকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাচ্ছিল না। এর মধ্যে বিকেলে বিদ্যুতের লোক ঝড়ে ছিঁড়ে যাওয়া সংযোগলাইন মেরামতের জন্য ওই বাড়িতে যান। সেখানে পুকুরে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তার টেনে তোলার সময় নূপুর ও তার ছেলের মরদেহ উঠে আসে।
