জরিপে পরিদর্শন করা বাড়িগুলোর মধ্যে ২৮১টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। শনাক্ত হওয়া স্থাপনাগুলোর মধ্যে বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ, স্বতন্ত্র বা একক বাড়িতে ২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও আধা পাকা বাড়িতে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ লার্ভা পাওয়া যায়।
এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ, বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ ও প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।
জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ৭ জুন থেকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ পরিচালনা করা হবে বলে জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।
স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় মশকনিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬টি ওয়ার্ডে একই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
