নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার শুরু থেকে উপস্থিত ছিলেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান। তিনি জানান, একজন নার্স সরকারের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে তিনি (এসআই) সেখানে গিয়ে দেখতে পান, বাসাটি বসবাসের অনুপোযোগী, চারপাশ অত্যন্ত নোংরা। মরদেহটি বিছানায় পড়ে আছে, ডান চোখ ও পিঠে পোকা ধরেছে।
তবে আশিকুর রহমান বলেছেন, মায়ের মরদেহে এমন কিছু তিনি দেখেননি।
নূর জাহান বেগম যেভাবে নোংরা পরিবেশে মারা গেলেন, তা অস্বাভাবিক কি না—এ প্রশ্নের জবাবে আশিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি কিছুটা অস্বাভাবিক, তা নিয়ে সমালোচনাও হতে পারে। তবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এসব বিষয়ে কথা বলতে আজ ফাতিমা নাসরীনের মুঠোফোনে প্রতিবেদকের পরিচয় দিয়ে মেসেজ পাঠিয়ে ফোন করা হলে তিনি ফোনটি ধরে কেটে দেন। গতকাল দুপুরে তাঁর বাসায় গেলেও কেউ দরজা খোলেননি।
এ বিষয়ে আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বোনের কাছে মা থাকতেন। এই বোন মানসিকভাবে বেশি ভেঙে পড়েছে। এই সময় তাকে বিরক্ত করা ঠিক হবে না।’
নূর জাহান বেগমের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে জানিয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির প্রথম আলোকে বলেছেন, ধারণা করা হচ্ছে, নূর জাহান বেগমের মৃত্যু দিন দুয়েক আগেই হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

