ঝালকাঠিতে একজন বিনা বেতনের শিক্ষক কিংবা একজন মানবিক ব্যক্তিই পারেন অদম্য মেধাবী অসহায় গরীব শিক্ষার্থী মরিয়মের জীবন পাল্টে দিতে

ঝালকাঠিতে একজন বিনা বেতনের শিক্ষক কিংবা একজন মানবিক ব্যক্তিই পারেন অদম্য মেধাবী অসহায় গরীব শিক্ষার্থী মরিয়মের জীবন পাল্টে দিতে

১ June ২০২৬ Monday ৪:২১:৪৯ PM

Print this E-mail this


অমিত বনিক, ঝালকাঠি:

ঝালকাঠিতে একজন বিনা বেতনের শিক্ষক কিংবা একজন মানবিক ব্যক্তিই পারেন অদম্য মেধাবী অসহায় গরীব শিক্ষার্থী মরিয়মের জীবন পাল্টে দিতে

ঝালকাঠিতে জীবন যুদ্ধে মাকে নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মরিয়ম ২০২৫ সালের এস.এস.সি তে GPA -5 প্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে এইস.এস.সি প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। ঝালকাঠির সাবেক জেলা প্রশাসক মো: জহর আলী শিক্ষার্থী মরিয়মকে স্কুলে বিনা বেতনে পড়াশুনার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

বর্তমানো সংসারের সব খরচ কুলিয়ে উঠে পড়াশুনার জন্য তেমন কোন সুযোগের সৃষ্টি করে উঠতে না পারলেও মেধাবী এই ছাত্রীকে বিনা বেতনে ইংরেজী প্রাইভেট শিক্ষা দিচ্ছেন আকলিমা কলেজের শিক্ষক মো. সুমন হাওলাদার। বিজ্ঞান বিভাগের অন্যান্য সকল বিষয়ের উপর বিনা বেতনে প্রাইভেট শিক্ষা দেবার মত মহান শিক্ষক পেলে কিংবা কোন মানবিক ব্যক্তি মরিয়মের পাশে দাড়িয়ে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করে দিলে ধন্য হবে মানবিকতা, উজ্জল ভবিষ্যতের লক্ষ্য অনেক সহজ হয়ে উঠবে মরিয়মের।

শিক্ষার্থী মরিয়ম জানান, “মা ৬ মাসের গর্ভে নিয়ে আমাকে নানা বাড়ি আসছে, তারপর থেকেই নানা বাড়ি থাকি। নানা,নানি, মা, আমাকে বড় করছে, বাবায় বিয়ে করছে। তার সাথে কোর্টে মামলা চলে। সংসারের কোন খরচ বাবা দেয় না। আমি তার বাড়ি গেছিলাম, আমার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করছে। এসএসসি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন ফ্রী জন্য ডিসি স্যারের কাছে একটা আবেদন করছিলাম তখন এডিসি রুহুল আমীন স্যার রেজিস্ট্রশনের ব্যবস্থা করিয়ে দেয়। কালেক্টরেট স্কুলেও ফ্রী পড়তাম, জোহর আলি ডিসি স্যারে আমাকে ১৫ জানুয়ারি ২০২০ সালে ওই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়।”

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts