আজ সকাল ৯টার সময় এই বাজারে গিয়ে দেখা যায়, একটি আম ও কলার দোকান ছাড়া আর কোনো দোকান নেই। এই আম ও কলার ক্রেতার সংখ্যা দু–একজন।
এক যুগ ধরে সকালবেলার এই বাজারে প্রতিদিন কলা বিক্রি করেন মহসীন। আজও কলা নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় তিনি। কিন্তু আশানুরূপ ক্রেতা নেই বলে জানান এই বিক্রেতা।
মহসীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিদিন রাত ৩টার সময় নরসিংদী থেকে কলা নিয়ে এখানে আসি। ভোর থেকে বিক্রি শুরু হয়। আজও কিছু কলা নিয়ে আসছিলাম। তবে আশানুরূপ বিক্রি হয়নি। মানুষ তো সব ঈদের ছুটিতে বাড়ি চলে গেছে। এরপরও ভাবছি, আরেকটু ভালো বেচাবিক্রি হবে, তা তো হলো না।’

