চামড়াশিল্প নগরের একটি ট্যানারির সঙ্গে দরদাম ঠিক হয়েছে জানিয়ে রাজধানীর আগারগাঁও থেকে ৭৫ পিস চামড়া নিয়ে আসা হাফেজ মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘ট্যানারিতে যাইতেছি একটা দামাদামি হইছে অনেক কষ্টের পর। জোরাজুরির পর আমরা ৬৬০ টাকা করে দাম পাইছি।’
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক ও সমতা লেদারের মালিক মো. মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ বছর গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া—সব মিলিয়ে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা কমবেশি ১ কোটি পিস। চামড়া সংগ্রহ এবং প্রসেস মিলিয়ে সময় লাগবে প্রায় ৩ মাস।
মো. মিজানুর রহমান বলেন, কোরবানির পর চামড়া ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণ করা না হলে চামড়ার গুণগত মান সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। একটা পর্যায়ে এটার আর কোনো মূল্য থাকে না। গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে চামড়ার দামেও কমবেশি হয়ে থাকে। খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, সাভারে ট্যানারি স্টেটে, ট্যানারি স্টেটের পাশের আড়ত এবং ঢাকার পোস্তায় গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে প্রতি পিস চামড়া বিক্রি হচ্ছে। গুণগত মান ভালো থাকায় কিছু চামড়া ৮০০ টাকাও বিক্রি হয়েছে বলে শুনেছেন।