আগৈলঝাড়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে চাপাতি ধরে হত্যার হুমকির অভিযোগ

আগৈলঝাড়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে চাপাতি ধরে হত্যার হুমকির অভিযোগ

২১ May ২০২৬ Thursday ১০:৫৭:৪১ PM

Print this E-mail this


 আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি:

আগৈলঝাড়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে চাপাতি ধরে হত্যার হুমকির অভিযোগ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মাননা পাওয়া এক ব্যক্তিকে গলায় চাপাতি ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সরেজমিন ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আস্কর গ্রামের সুধীর রঞ্জন মল্লিকের ছেলে শিক্ষক বিমল মল্লিক গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্ত্রী রিতা বৈদ্যের জন্য ওষুধ কিনতে স্থানীয় আস্কর বাজারে যান। এ সময় একই এলাকার বিকাশ অধিকারী পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং গলায় চাপাতি ধরে হত্যার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক দাবি করেন, ঘটনাকালে তিনি দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক শিক্ষকের কাছে সাহায্য চাইলেও তিনি এগিয়ে আসেননি। পরে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ছেলে এগিয়ে এসে তাঁকে রক্ষা করেন।

এরপর শিক্ষক বিমল মল্লিক বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী অচিন্ত বাড়ৈর দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়েও অভিযুক্ত ব্যক্তি পুনরায় হামলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি দৌড়ে নিজ বাড়িতে চলে যান।

ওই রাতেই শিক্ষক বিমল মল্লিক বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় বিকাশ অধিকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, উপজেলার নাঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিমল মল্লিক সম্প্রতি আগৈলঝাড়া উপজেলার ৯৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে পুরুষ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন।

শিক্ষক বিমল মল্লিক বলেন, ‘বিকাশ অধিকারী কেন আমাকে চাপাতি ধরে হত্যার হুমকি দিল, তা আমি বুঝতে পারছি না। এর আগেও তার পরিবারের লোকজন আমার ওপর হামলা করেছে। এমনকি আমার স্ত্রীকেও প্রকাশ্যে অপমান করা হয়েছে।’

বিমল মল্লিক আরও বলেন, ‘আমি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং আমার স্ত্রী একটি কলেজের শিক্ষক। এরপরও আমরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বিকাশ অধিকারীর বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাঁর বাড়িতে গিয়ে ঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার এসআই মো. সেলিম রেজা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts